সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানোর দাবিতে গাইবান্ধায় বাসদ মার্কসবাদীর পথসভা গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড গাইবান্ধায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক  সমিতির মানববন্ধন রক্তে ভেজা তিনফসলি জমিতে ইপিজেড নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিলের দাবি গাইবান্ধায় সাঁওতাল বাঙালি যুব সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত  সালামের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে গাইবান্ধায় জাতীয় যুব জোটের মানববন্ধন ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ মিছিল গাইবান্ধায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় এসএসসি ব্যাচ  ৯৩ এর পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কাবিলের বাজারে সিএনজির ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

দেহব্যবসায় রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে গ্লাস দিয়ে হত্যার চেষ্টা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৯৫

Hits: 238

দেহব্যবসায় রাজি না হওয়ায় স্ত্রী হাসি বেগম (৩৫) কে অমানষিক নির্যাতন চালায় স্বামী সুমন মিয়া (৪৫)। কাঁচের গ্লাস ভেঙে স্ত্রী হাসি বেগমের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করা হয়।  গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম পাশে কাউয়া চত্বর এলাকায় গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, কাউয়া চত্বর এলাকায় বসবাসরত মাদকসেবী স্বামী সুমন মিয়া গত কয়েকদিন থেকে স্ত্রী হাসি বেগমকে দেহব্যবসা করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে স্বামী সুমন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে একটি কাঁচের গ্লাস ভেঙে স্ত্রী হাসি বেগমের পেটে ও বাম চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
এসময় হাসি বেগমের আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তার পেটে ৭টি সেলাই ও বাম চোখের নিচে ৩টি সেলাই দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী সুমন মিয়া পলাতক রয়েছেন।
এব্যাপারে হাসি বেগমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, তার স্বামী নেশা করার জন্য তার কাছে প্রতিদিন এক হাজার করে টাকা দাবি করে আসছিল। সে টাকা কোথায় পাবে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে দেহব্যবসা করতে বলে। এতে রাজি না হওয়ায় সুমন মিয়া ও তার ছোট ভাই সজল মিয়া তাকে ভাঙা কাঁচের গ্লাস এবং হাত দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
তিনি আরও বলেন, তার বাবা-মা এমনকি নিকট আত্মীয়-স্বজন তেমন কেউ নেই। আমার এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে প্রায়ই সে শারীরিক নির্যাতন করে।
এব্যাপারে হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসক বলেন, হাসি বেগমের পেটে ৭টি সেলাই ও বাম চোখের নিচে ৩টি সেলাই দেয়া হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
 এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাপ্তাহিক দারিয়াপুর

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন