শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৯:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড গাইবান্ধায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক  সমিতির মানববন্ধন রক্তে ভেজা তিনফসলি জমিতে ইপিজেড নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিলের দাবি গাইবান্ধায় সাঁওতাল বাঙালি যুব সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত  সালামের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে গাইবান্ধায় জাতীয় যুব জোটের মানববন্ধন ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ মিছিল গাইবান্ধায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় এসএসসি ব্যাচ  ৯৩ এর পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কাবিলের বাজারে সিএনজির ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত দারিয়াপুরে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত

ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই করোনা আক্রান্ত মার সন্তান প্রসব

সাপ্তাহিক দারিয়াপুর ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৪
প্রতিকী ছবি

Hits: 24

ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই যমজ সন্তান প্রসব করার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপ করেছেন করোনা আক্রান্ত এক মা। ভারতের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে এ তথ্য জানানো হয়। খবরে বলা হয়, ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই ওই অন্তঃসত্ত্বার অস্ত্রোপচার করা হয়। জন্ম হয় যমজ সন্তানের। আপাতত মা এবং দুই শিশুই সুস্থ। সদ্য দুই শিশুকে নিয়ে মা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন বলে জানান চিকিৎসক।চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা অবস্থায় করোনা আক্রান্তের যমজ সন্তান প্রসবের ঘটনা ভারতে নজিরবিহীন। আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ে করোনা সংক্রমিত হয়ে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমছিল জয়া মাঝির। হাওড়ার শ্যামপুরের বাসিন্দা জয়া। তখন আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি। ফলে দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একদিকে করোনা সংক্রমণে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমছিল, অন্যদিকে গর্ভস্থ শিশুদের কারণে বাড়ছিল মানসিক চাপ। দুইয়ে মিলে জয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে পড়ে।

ওই অবস্থায় তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। ফুসফুসে সংক্রমণ ছাড়ানোয় শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন জয়া। প্রথমে আইসিইউতে এবং পরে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। কিন্তু অবস্থার সে রকম উন্নতি হচ্ছিল না। সেই সময় মাকে বাঁচাতে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান চিকিৎসকরা।

গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. পার্থ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘অস্ত্রোপচার না করলে মায়ের জীবন বিপন্ন হতো। রোগীর শরীরে অক্সিজেন স্যাচুরেশন দ্রুত কমে যাচ্ছিল, ফলে গর্ভের দুই শিশুও পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাচ্ছিল না। ওই সময় ক্রিটিক্যাল কেয়ার, অ্যানাস্থেশিয়া, শিশু বিভাগ এবং আমরা যৌথভাবে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাপ্তাহিক দারিয়াপুর

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন