রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় সন্ধানী ডোনার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পলাশবাড়ীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ জাগো২৪.নেট’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মতিয়ার রহমান টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে এইচএসসি বিএম পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে ২টিতে আ.লীগ, ২টিতে জাপা ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়ী দারিয়াপুরে মুদি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালামাল পুড়ে ভষ্মিভূত দারিয়াপুর জয়নাল আবেদীন প্রিপারেটরী স্কুলের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গাইবান্ধা জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নির্বাচন সম্পন্ন গাইবান্ধায় যুব ইউনিয়নের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ মিছিল

ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই করোনা আক্রান্ত মার সন্তান প্রসব

সাপ্তাহিক দারিয়াপুর ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৮৭
প্রতিকী ছবি

ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই যমজ সন্তান প্রসব করার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপ করেছেন করোনা আক্রান্ত এক মা। ভারতের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে এ তথ্য জানানো হয়। খবরে বলা হয়, ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই ওই অন্তঃসত্ত্বার অস্ত্রোপচার করা হয়। জন্ম হয় যমজ সন্তানের। আপাতত মা এবং দুই শিশুই সুস্থ। সদ্য দুই শিশুকে নিয়ে মা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন বলে জানান চিকিৎসক।চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা অবস্থায় করোনা আক্রান্তের যমজ সন্তান প্রসবের ঘটনা ভারতে নজিরবিহীন। আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ে করোনা সংক্রমিত হয়ে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমছিল জয়া মাঝির। হাওড়ার শ্যামপুরের বাসিন্দা জয়া। তখন আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি। ফলে দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একদিকে করোনা সংক্রমণে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমছিল, অন্যদিকে গর্ভস্থ শিশুদের কারণে বাড়ছিল মানসিক চাপ। দুইয়ে মিলে জয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে পড়ে।

ওই অবস্থায় তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। ফুসফুসে সংক্রমণ ছাড়ানোয় শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন জয়া। প্রথমে আইসিইউতে এবং পরে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। কিন্তু অবস্থার সে রকম উন্নতি হচ্ছিল না। সেই সময় মাকে বাঁচাতে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান চিকিৎসকরা।

গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. পার্থ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘অস্ত্রোপচার না করলে মায়ের জীবন বিপন্ন হতো। রোগীর শরীরে অক্সিজেন স্যাচুরেশন দ্রুত কমে যাচ্ছিল, ফলে গর্ভের দুই শিশুও পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাচ্ছিল না। ওই সময় ক্রিটিক্যাল কেয়ার, অ্যানাস্থেশিয়া, শিশু বিভাগ এবং আমরা যৌথভাবে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাপ্তাহিক দারিয়াপুর

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com